রাজশাহী নগরীর মতিহার থানার ডাঁশমারী এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে সংঘটিত গুলি করে হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোঃ হাসিবুল ইসলামকে (৪২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার ভোর রাত ৪টার দিকে নগরীর ডাঁশমারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি বুধবার দুপুরে নিশ্চিত করেছেন মোঃ গাজিউর রহমান।
পুলিশ জানায়, নিহত মোঃ গোলাম মোস্তফা ডাঁশমারী এলাকার মৃত তমুর আলীর ছেলে। আসামিপক্ষের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও একাধিক মামলা-মোকদ্দমা চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৭টার দিকে গোলাম মোস্তফা এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। খোঁজাপুর এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্রের গুলির খোসা ও অব্যবহৃত গুলি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোসাঃ নাজেরা বেগম বাদী হয়ে মতিহার থানা-এ হত্যা ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার পর থেকে প্রধান আসামি হাসিবুল ইসলাম দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ গোলাম কবির-এর নেতৃত্বে ওসি (তদন্ত) মোঃ নূরে আলম সিদ্দিকী, সেকেন্ড অফিসার এসআই রিপন কুমার, এসআই মিজান, এএসআই মোঃ নাহিদ হোসেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আলমাস আল রাজীর ও সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকান্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতার আসামি হাসিবুল ইসলামকে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার ভোর রাত ৪টার দিকে নগরীর ডাঁশমারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি বুধবার দুপুরে নিশ্চিত করেছেন মোঃ গাজিউর রহমান।
পুলিশ জানায়, নিহত মোঃ গোলাম মোস্তফা ডাঁশমারী এলাকার মৃত তমুর আলীর ছেলে। আসামিপক্ষের সঙ্গে তার দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও একাধিক মামলা-মোকদ্দমা চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৭টার দিকে গোলাম মোস্তফা এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। খোঁজাপুর এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্রের গুলির খোসা ও অব্যবহৃত গুলি উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোসাঃ নাজেরা বেগম বাদী হয়ে মতিহার থানা-এ হত্যা ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার পর থেকে প্রধান আসামি হাসিবুল ইসলাম দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ গোলাম কবির-এর নেতৃত্বে ওসি (তদন্ত) মোঃ নূরে আলম সিদ্দিকী, সেকেন্ড অফিসার এসআই রিপন কুমার, এসআই মিজান, এএসআই মোঃ নাহিদ হোসেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আলমাস আল রাজীর ও সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকান্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতার আসামি হাসিবুল ইসলামকে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :